Friday, 25 April 2014

BRTC বাস এর বেহাল অবস্থা

মানুষের বাচ্চা হলে অবশ্যই আমার এই পোস্ট টি পড়বেন, আর আপনাদের  মতামত গুলো জানাবেন, পারলে এটা শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দেন,
বরাবর BRTC এর চেয়ারম্যান,
খুব ভালোই আছেন তাই না,  আজ আমি কিছু কথা বলবো, যেটা শুনলে আপনার অনেক ভালোই লাগবে, তাই বলে এখনই চোখে টিনের চশমা দিয়েন না, মরার পর সারে ৩ হাত মাটির তলে সবাইকেই যেতে হবে, তাই কথা গুলো একটু চিন্তা করবেন, প্রমান ছাড়া আমি কিছুই বলি না, আর যখন আমি এই পরিস্থিতির মধ্যে ছিলাম, আপনার আম্মু, আব্বুকে, আপনাকে নিয়ে অনেক অনেক গালি গালাজ করেছি, যেটা আমাকে কেউ করলে আমি তাকে গলা টিপে মেরে ফেলতাম, শুনলাম, ঢাকায় নাকি BRTC Bus এ Free Wifi Service দিচ্ছেন, শুনে খুবই খুশি হলাম, উদ্যেশ্য হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া,
তাইতো, হাহাহাহা। আপনারা পারেনো বটে, পারলে একদিন খুলনায় আসবেন, আপনাকে নিয়ে খুলনা টু বরিশাল(মঠবাড়িয়া) ঘুরতে যাবো, আপনাগো BRTC বাস এ করে, একটা কথা বলেন তো, বরিশালের মানুশ কে কি আপনাদের আবাল মনে হয়…?? অনেকেই অশিক্ষিত যানি, তবে সহজ-সরল, তবে আমার তো মনে হয় বরিশাল এর মানুষদের কে কুকুরের চেয়েও নিক্রিস্ট ভাবেন, আমি গাজা খাইয়া কথা গুলো লিখতেছি না, কোনো রাজনৈতিক দলো করি না, তবে মানুষের কষ্ট কেউ দিলে, তার জন্য আমি প্রতিবাদ করতে পারি, তা আমি সহ্য করতে পারি না, যদি মানুশের বাচ্চা হয়ে থাকেন, নিচের পিকচার গুলো ভাল ভাবে দেখেন, আমার চায়না মোবাইল বলে পিকচার গুলো তেমন ভাল ভাবে উঠেনি, তাও সব মানুশের বাচ্চারা এই পিকচার গুলো ভাল ভাবেই বুঝতে পারবে,
BRTC BUS (Khulna To Borishal-Mothbaria)বাসটির মধ্যে যখনই প্রবেশ করলাম, নিজেকে আবাল, গরু ছাগল মনে হলো, নিজেকে মানুশের বাচ্চা বলে মনে হলো না, বাস এর মধ্যকার কিছু বর্ননা দিচ্ছি,
বাস এর ভিতরে গাছের সাইজ করা কাঠ হাটার রাস্তায় সুন্দর ভাবে নিচে সাজিয়ে রেখেছে, আসার সময় আমার সাথে আমার আম্মুও ছিলো, সিট নাম্বার ছিলো ৪১,৪২,  আপনি খুলনায় আসলে আমার সাথে মঠবাড়িয়ায় গেলে, আপনি আর আমি বাস এর একদম পিছোনের সিটে বসবো কেমন, যেই সিট এর বাম বাসের জানলা ভাঙ্গা, এমনকি জানলার যে কপাট থাকে সেইটাও ভাঙ্গা, পিছনের দিকে গ্লাস নাই, বাস এর সাদ থেকে বাস এর মধ্যে ধুকতে ওই পিছনের জানলাই যথেষ্ট, বাস যখন চলতেছিলো এত ভয়ংকর শব্দ হচ্ছিলো যে মনে হচ্চে, পিছনের জানলা বাসের জানলার কপাট সহ ভেঙ্গে পরে যাবে, সাথে আমরাও পরে যাবো, নাই বাসের কোনো ফেন, এত গরমে কোনোই ফেন নাই, পিকচার দেখেন, প্রমান পেয়ে যাবেন, গাজা খাইয়া কথা গুলো কইতাছি না,  পিকচার গুলো ভাল ভাবে দেখেন,  মানুশ মরে গেলে পচে গেলে যে গন্ধ হয়, তার থেকেও খুব খারাপ গন্ধ আসছিল বাস এর পিছন সাইড থেকে, এই যদি হয় সরকারি বাস এর অবস্থা, তাহলে আমরা গরু ছাগল, আর আপনারা যারা Pazeru গাড়িতে আসা যাওয়া করেন, তারাই মানুশ, খুবই কষ্টে কথা গুলো বললাম, বাসের সুপার ভাইজার কে আমি কিছু কথা শুনাইলাম, একটু ঝেড়েছিও তাকে, সে এই দোশ টা সম্পুর্ন আপনাদের গায়ে দিয়ে দিলো, কথা গুলো দেখেনঃ
আমিঃ ভাই, আপনাদের এই বাস টি কি আপনাদের বাপের…?? নাকি নিজেদের টাকা দিয়ে কিনেছেন এই বাসটি, বাস ঠিক করতে কি আপনাদের পকেট থেকে একটা টাকাও দিতে হয়…?? তবে কেনো আমাদের সাথে হারামীপনা করছেন,
সুপার ভাইজারঃ ভাই, কি আর বলবো, উপরের মহল সব সময় এসে দেখে যায়, আমরা কিছু বল্লেও গায়ে লাগায় না তারা, গাড়ি ঠিক করায় না।
এখন বলেন, এই খানে আমি আর সুপার ভাইজার কি কিই বা বলতে পারি, শুনে খুবই খারাপ লাগলো, আপনারা অনেক শিক্ষিত, অনেক বড়লোক, বরিশাল এর মানুশ তো সব এক একটা গরু ছাগল, অশিক্ষিত, ছোট লোক, তাই তাদের কষ্ট টা আপনারা গায়েই লাগান না, তবে তাদের এই কষ্টের যে দীর্ঘ নিঃশাষ,
আপনাদের উপর গজব হয়ে দাঁড়াবে, যদি আল্লাহ বলে কিছু থাকে তাহলে, বলে দিলাম, এই নিয়ে আবার ডিজিটাল বাংলাদেশ বানাবেন…?? Free Wifi Service দিচ্ছেন ঢাকাতে, কেরে, ঢাকায় যারা থাকে, তারাই মানুশ, আর আমরা মানুষ না…??
কথা গুলো শুধু নিজের কষ্ট টাই শেয়ার এর জন্য লিখা, আপনাগো অসম্মান করার জন্ন্য না, আর যদি সম্মানই থাকতো আপনাগো, ছেলের বয়সি আমার কাছ থেকে এত কথা শুনতে হত না আপনাগো,
ভাল থাকবেন, ধন্যবাদ 













Tuesday, 8 April 2014

শিশু পার্ক এখন প্রেমের আড্ডাখানা

শিশু পার্ক এখন প্রেমের আড্ডাখানা, (only for Girls)

(নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছি, আশা করি সবাই পড়বেন)

বাস্তব কাহিনী, ভালো লাগলে পড়বেন, না ভালো লাগলে এড়িয়ে চলবেন এই পোস্টটি, 


আজ দুপুরে চুল কাটাতে গেছিলাম একটি সেলুনে, এক বড় ভাই তার ছোট বাচ্চাকে নিয়ে চুল কাটাতে এসেছে, সে তার বাচ্চাকে নিয়ে চুল কাটাতে এসে আমাদের কে বলেন, সে মুজগুন্নি শিশুপার্কে তার বাচ্চাকে নিয়ে গেছিলো আজ দুপর ১১-১২টার দিকে, পার্কের বর্তমান অবস্থার কথা বর্ননা দিলেন এইভাবে, শিশুপার্ক তবে পার্কটি সম্পূর্ন পাড়া হয়ে গেছে, এই দুপুর বেলায় ছেলে মেয়ে মানে প্রেমিক পেমিকাদের অবস্থা দেখে সে অবাক এবং লজ্জিতও হয়ে গেলেন, বাংলা কথায় পাড়া বলতে যা বুঝায়, সেটা নিয়ে আমি কিছুই বলবো না,তার কথা গুলো শুনে আমারো খুব খারাপ লাগলো, এইযে আপারা (মেয়েরা) ছেখা খাইলে তো শুধু মরতে চান, কিছুই ভালো লাগে না, প্রেম করবেন উলটা পালটা, ছেখা তো খাইবেন ই, মেয়েদের বলতেছি, এইযে, পার্কে এই দুপুর বেলায় আপনার কোন বাপ আর মা পার্কে যেতে অনুমতি দেয়, ফালতু ঘরের মেয়েরাই এই সময় পার্কে যায়, আর আপনাদের উদ্যেশ্য টাও আমার খুব ভালো করেই জানা আছে, তবে ভালো ঘরের মেয়েরা এই ভাবে এই দুপুরে পার্কে যায় না, পেমিক এর সাথে দেখা করতে, নিজের মান সম্মার নিজের কাছে, যখন এই মান সম্মান টা হারান, তখন ছেলে খারাপ হয়ে যায়, আর মরতে ইচ্ছা করে, ভালো কথা। তাহলে মরেন না কেন…?? ছেলেরা খারাপ তা তো আমি না বলছি না, তবে সব ছেলেরা সমান না, প্রেমিক নির্বাচনে আপনাদের একটু সতর্ক হতে হবে, কিন্তু তা হবেন কেন…?? 
এক হাতে ৫টা ছেলেকে ঘুরাতেও আপনাদের কোনো সমস্যা হয় না, 
আজ আপনাদের জন্য, আপনাদের এই অশ্লিলতার জন্য শিশু পার্কে এখন মানুশ পাড়া বলে, কিছু কিছু ছেখা খাওয়া মাইয়ারা আছেন, যারা এই অশ্লিলতার জন্যই ছেখা খান, প্রেম করার মানে অশ্লিলতা না, আবারো মনে করে দিচ্ছি, আমি শুধু এই দুপুরে যে সব মেয়ে তাদের প্রেমিক কে নিয়ে পার্কে যায়, আমি তাদের কথাই বলতেছি, স্কুল, কলেজ, ক্লাস ফাকি দিয়ে যান প্রেমিক এর সাথে দেখা করতে, ভালো ঘরের মেয়েরা কখনই তা করে না, প্রেম করবেন ভালো কথা, এমন প্রেম করবেন যার মদ্ধে কোনো অশ্লিলতার ছায়া থাকবে না, কিন্তু মেয়েরা এই অশ্লিলতায় খুব বেশী Interested, মাইয়াগো কইতাছি, পারলে প্রতিদিন News Paper গুলো পড়ে দেখবেন, অনেক কিছুই শিখতে পারবেন, আর কিছু বলবো না, আপনাদের এই প্রেমিক প্রেমিকার এই রাস্তা ঘাটে, শিশু পার্কের এই অশ্লিল কার্যকলাম বন্ধ করুন, নিজেও ভালো থাকতে পারবেন, নিজেও pure থাকতে পারবেন, সাথে অন্যরাও ভালো থাকতে পারবেন, আপনাদের দেখে আপনাদের বাপ মাকে বাংলা গালি দিতে ইচ্ছা করে, বাপ মা ভালো হলে কখনই তার মেয়েকে এই অসময়ে অশ্লিল কার্যকলাপ করতে বাইরে বের হতে দিতো না, 
আগে নিজের মান সম্মার রক্ষা করতে শিখেন তারপর প্রেম করেন, প্রেম করার মানে এই না যে রাস্তা ঘাটে প্রেমিক এর সাথে অকাজ-কুকাজ করে বেরাবেন, Stupid কথাকার।